
পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, ফারাক্কা পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নে পানির অধিকার, কৃষি, খাদ্যনিরাপত্তা এবং পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। বর্তমান বাস্তবতায় দেশের স্বার্থ রক্ষা করে পানি নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়ে ফারাক্কা চুক্তি নবায়ন করা হবে।
মঙ্গলবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ল অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স আয়োজিত গঙ্গা পানি চুক্তির পুনঃনবায়নবিষয়ক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ উপস্থিত ছিলেন।
পানিসম্পদ মন্ত্রী আরও বলেন, ১৯৭৭ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়ে করা ফারাক্কা চুক্তি ছিল শ্রেষ্ঠ। ওই চুক্তিতে পানি পাওয়ার গ্যারান্টি ক্লজ ছিল। ১৯৯৬ সালের চুক্তিতে গ্যারান্টি ক্লজ বাদ দেওয়া হয়েছে।
চুক্তি নবায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চ্যালেঞ্জ নিয়ে দেশের স্বার্থ প্রাধান্য দিয়ে আমরা কাজ করছি।
অনুষ্ঠানে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভারতের সঙ্গে আমাদের ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে। এগুলোর বেশির ভাগের নাব্য নেই। নদীতে নাব্য আনার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-খাল ও জলাশয় খননের পরিকল্পনা নিয়েছেন।
উপযুক্ত ব্যক্তিদের মাধ্যমে যৌথ নদী কমিশনকে শক্তিশালী করার উদ্যোগের কথা জানান প্রতিমন্ত্রী।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দিন খান। আলোচক ছিলেন স্টাম্পপোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এমিরিটাস অধ্যাপক এম ফিরোজ আহমেদ প্রমুখ।