
চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুর সন্ত্রাসী ও অপরাধীদের অভয়ারণ্য থেকে মুক্ত করতে পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আহসান হাবীব বলেছেন, আমাদের মূল ফোকাস ছিল এই বিশাল অংশে আমাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা এবং আমরা সেটি করতে পেরেছি৷ আজ থেকে পুলিশ ও র্যাবের দুটি ক্যাম্প এখানে কাজ করবে। ক্যাম্পের নিরাপত্তা বিধানে যদি এখানে কামান দেওয়া লাগে, আমরা কামান দেব।
সোমবার (৯ মার্চ) দুপুরে জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানের সময় সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
নিরাপত্তা বাহিনীর ৩ হাজার ২০০ সদস্য অংশগ্রহণ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের অভিযান চলমান। অভিযানে র্যাব, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও এপিবিএনের ৩ হাজার ২০০ সদস্য অংশ নিচ্ছেন। আমরা এখানে ভোর থেকে কাজ করছি।
সুবিশাল চিহ্নিত এলাকায় প্রশাসনের নেওয়া পরিকল্পনাগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য বিভাগীয় কমিশনার ও প্রশাসনকে অনুরোধ করার কথাও জানান তিনি।
জঙ্গল সলিমপুরে প্রশাসনের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা হয়েছে জানিয়ে বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন বলেন, সরকার পূর্বে এই এলাকা ঘিরে যে উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়েছিল, এখন সেটি আমরা শুরু করব।
সন্ত্রাসীদের ধরতে আজ সকাল ছয়টা থেকে জঙ্গল সলিমপুরে সেনাবাহিনী, পুলিশ, র্যাব ও বিজিবির এই যৌথ অভিযান শুরু হয়। অভিযানে দুপুর পর্যন্ত ১৫ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানান ডিআইজি।
এর আগে, সোমবার (৯ মার্চ) ভোরের আলো ফোটার আগেই চট্টগ্রামে সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য হিসেবে খ্যাত দুর্গম এলাকা জঙ্গল সলিমপুরে পুরো জঙ্গল সলিমপুর এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেয় সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব ও পুলিশ সদস্যরা। এছাড়া বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে পুরো ঘটনা পর্যবেক্ষণ করেন।