আয়াতুল্লাহ খামেনিকে হত্যার নিন্দা জানাল বাংলাদেশ

ডেস্ক রিপোর্ট
  ০৪ জুলাই ২০২৬, ০০:০৭

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা উপলক্ষে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) ইরানে অবস্থান করছেন। 
দেশটিতে পৌঁছে তিনি ইসলামিক কনসালটেটিভ অ্যাসেম্বলির স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। শুক্রবার (৩ জুলাই) তেহরানে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে খামেনির হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ।
দুই স্পিকারের সাক্ষাতের খবর দিয়ে শুক্রবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘মহামান্য’ আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ‘মর্মান্তিক মৃত্যুতে’ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন এবং তার ‘নৃশংস হত্যাকাণ্ডের নিন্দা’ জানিয়েছেন।
জাতীয় শোকের এ সময়ে ইরানের সরকার ও জনগণের প্রতি বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের সহমর্মিতা জানিয়েছেন তিনি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, বৈঠকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন ইরান ও বাংলাদেশের মধ্যে ‘কয়েক শতাব্দীর বন্ধুত্ব’ এবং দুই দেশের মধ্যে ‘গভীর সাংস্কৃতিক ও মানুষে মানুষে বন্ধনের’ কথাও তুলে ধরেছেন। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সাম্প্রতিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সইয়ের ক্ষেত্রে স্পিকার গালিবাফের গঠনমূলক ভূমিকাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশের স্পিকার। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, এ চুক্তি ইরানি জনগণ ও বৃহত্তর পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলটিতে ‘স্থায়ী শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি’ বয়ে আনবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, চলমান শান্তি প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন হাফিজ উদ্দিন। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, সবপক্ষ সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে বিরোধপূর্ণ বিষয়গুলোতে স্থায়ী সমাধানে পৌঁছাতে পারবে।
স্পিকার গালিবাফকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান হাফিজ উদ্দিন।
খামেনির রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্যে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিতে বৃহস্পতিবার তেহরানে যান স্পিকার। বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান ইরানের ডেপুটি স্পিকার হামিদ রেজা হাজি বাবাই।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরাইলি যৌথ হামলার শুরুতে নিজ বাসভবনে নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি। ব্যাপক হামলার মধ্যে ইরানও পশ্চিম এশিয়ার আরবদেশগুলোতে পালটা হামলা চালায়। মার্কিন ঘাঁটি থাকার কারণে ওই দেশগুলোকে হামলার ‘বৈধ টার্গেট’ হিসাবে বর্ণনা করে তেহরান।