নারায়ণগঞ্জের শহরের ২নং রেলগেট এলাকায় বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় গুলিতে শাওন নামে যুবদলের এক কর্মী নিহত হয়েছেন। তবে তিনি কার গুলিতে নিহত হয়েছেন, তা জানা যায়নি। সদর উপজেলার এনায়েতনগর ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী ছিলেন শাওন।
নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নাজমুল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই শাওন মারা যায়। তার শরীরে গুলির চিহ্ন রয়েছে। লাশ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। শাওন নিহতের বিষয়ে পুলিশ সুপার বলেন, এ বিষয়ে তিনি নিশ্চিত হতে পারেননি।
জানা যায়, ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিএনপি শোভাযাত্রা বের করতে গেলে পুলিশ বাধা দেয়। পরে পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করলে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় সাংবাদিক-পুলিশ ও বিএনপির অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এর মধ্যে কয়েকজন গুলিবিদ্ধ রয়েছেন।
নারায়ণগঞ্জে জেলা পুলিশ সুপার গোলাম মোস্তফা রাসেল বলেন, অনুমতি ছাড়া বিএনপির নেতাকর্মীরা সকালে সড়ক অবরোধ করে সমাবেশ শুরু করেন। এ সময় পুলিশ বাধা দিলে তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন। পরে জানমাল রক্ষার্থে পুলিশ কাঁদুনে গ্যাস ও শর্টগানের গুলি ছোড়ে। যুবদলকর্মী শাওন নিহতের বিষয়ে পুলিশ সুপার বলেন, এ বিষয়ে তারা এখনো নিশ্চিত হতে পারেননি।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বের করা শোভাযাত্রায় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ শুরু হয়।
এদিকে ঘটনাস্থলের পাশে থাকা মরগ্যান বালিকা স্কুল অ্যান্ড কলেজে দশম শ্রেণির পরীক্ষা চলছিল। এ সময় পুলিশের ছোড়া টিয়ারশেল ওই কক্ষে গিয়ে পড়ে। এতে প্রচণ্ড ধোঁয়ার শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ৫ ছাত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।