
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের ইসলামাবাদ বৈঠকের পর ধারণা করা হয়েছিল, কূটনীতির পথ হয়তো এখনো খোলা আছে। কিন্তু হরমুজ প্রণালীতে ট্রাম্পের অবরোধ আরোপের ঘোষণা এখন স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র হয়তো সরাসরি সামরিক পদক্ষেপের দিকেই হাঁটছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে বিষয়টি বেশ নাটকীয় যে, ট্রাম্প প্রণালীটি পুনরায় উন্মুক্ত করার লক্ষ্য নিয়েই এটি বন্ধ বা অবরোধ করার প্রস্তাব দিচ্ছেন। এটি তেহরানের ওপর সরাসরি আঘাত না হলেও কৌশলগতভাবে তাদের বড় চাপে ফেলার চেষ্টা।
ট্রাম্পের বক্তব্যে উঠে এসেছে, এই অবরোধে অন্যান্য দেশও অংশ নেবে। এখন বড় প্রশ্ন হলো—কোন দেশগুলো এই ঝুঁকিপূর্ণ পদক্ষেপে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গী হতে রাজি হবে?
চূড়ান্ত যুদ্ধের হুঁশিয়ারি দিয়ে ট্রাম্প জানিয়েছেন, উপযুক্ত সময়ে মার্কিন বাহিনী পুরোপুরি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকবে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন মন্তব্য মূলত অভিযানের দ্বিতীয় ধাপেরই ইঙ্গিত দিচ্ছে, যা ইরান পিছু না হটলে বড় ধরনের বোমাবর্ষণে রূপ নিতে পারে।
এখানে একটি সুনির্দিষ্ট সামরিক নীল নকশা পরিলক্ষিত হচ্ছে। প্রথমে অবরোধের মাধ্যমে ইরানকে কোণঠাসা করা এবং তাতে কাজ না হলে পরবর্তী ধাপে আরও কঠোর সামরিক ব্যবস্থা গ্রহণ। এই উত্তপ্ত পরিস্থিতি এখন বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতির জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সূত্র: আলজাজিরা