
যমুনা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলামের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ৭ দিনব্যাপী নানান কর্মসূচি পালন করছে যমুনা ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক।
‘কর্মে কৌলীন্যে অনন্য এক জীবন’ প্রতিপাদ্যে সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে পবিত্র কুরআন খতম ও মোনাজাতের পাশাপাশি সব কর্মকর্তা-কর্মচারী কালো ব্যাজ ধারণ করেন।
সোমবার দুপুরে হবিগঞ্জের মাধবপুরে যমুনা ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে দোয়া মাহফিল ও স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে হুরাইন এইচটিএফ, যমুনা টায়ার অ্যান্ড রাবার ইন্ডাস্ট্রিজসহ যমুনা গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাড়াও শতাধিক এতিম শিশু অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় বক্তারা বলেন- যমুনা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম নুরুল ইসলাম দেশ ও মাতৃকার টানে একাত্তরের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। যুদ্ধ পরবর্তীতে দেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যান। তিনি বিশ্বাস করতেন স্বাধীনতার প্রকৃত অর্থ অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা। প্রত্যন্ত অঞ্চল মাধবপুরের বেজোড়ায় ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক গড়ে তুলেন তিনি। আজ এখানে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। তার জীবন সার্থক হয়েছে। জাতি নুরুল ইসলামকে তার কর্মের মধ্যে ফিরে পাবে আজীবন।
তিনি ছিলেন একজন কঠোর পরিশ্রমী ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন মানুষ। তার আদর্শ ধারণ করে কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন যমুনা ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের কর্মকর্তা কর্মচারীরা।
দোয়া মাহফিলে বক্তব্য রাখেন- হুরাইন এইচটিএফের পরিচালক রাজীব দাস, সিনিয়র মহাব্যবস্থাপক আবুল হোসেন, যমুনা ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের মহাব্যবস্থাপক প্রশাসন রাশেদুল আমিন, মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সোহেল রানা প্রমুখ। মোনাজাত পরিচালনা করেন ক্বারি আক্তার হোসেন।
পরে এতিম, অসহায়, দুস্থসহ হবিগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে কর্মরত প্রায় ৭ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীর মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।