
গণহত্যাকারী ইসরাইল ও তাদের সহযোগী যুক্তরাষ্ট্রের চাপিয়ে দেওয়া অসম যুদ্ধে সমুচিত জবাব দিয়ে যাচ্ছে ইরান। দফায় দফায় হামলায় ওয়াশিংটন ও তেল আবিবকে বেসামাল করে দিয়েছে দেশটি।
একই সঙ্গে উপসাগরীয় দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতে অনবরত হামলা চালাচ্ছে তেহরান। পাশাপাশি বন্ধ করে দিয়েছে বিশ্বের জ্বালানি করিডোরখ্যাত হরমুজ প্রণালি, যে সমুদ্রপথে পৃথিবীতে মোট ব্যবহৃত তেলের ২০ শতাংশ পরিবাহিত হয়। এতে ঘুম হারাম হয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দুনিয়ার।
হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় তেলের বাজারে আগুন লেগে গেছে। এ কারণে সমুদ্রপথটি উন্মুক্ত করতে ইউরোপসহ বিভিন্ন মিত্র দেশ, এমনকি চিরশত্রু চীনেরও সহায়তা চেয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার এ দাবি সাফ নাকোচ করে দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও ন্যাটো।
ট্রাম্পের সাহায্যের আহ্বানের পর হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর বিষয়ে ইউরোপের ক্রমবর্ধমান সংশয় প্রকাশ করেছেন ইইউর পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক প্রধান কাজা কালাস। তিনি বলেছেন, ‘কেউই তাদের জনগণকে বিপদে ফেলতে প্রস্তুত নয়।’
রয়টার্স নিউজ এজেন্সিকে তিনি বলেন, ‘আমাদের পথটি উন্মুক্ত রাখার জন্য কূটনৈতিক পথ খুঁজে বের করতে হবে, যাতে আমাদের খাদ্য, সার ও জ্বালানি সংকটের সম্মুখীন হতে না হয়।’
সূত্র: আলজাজিরা।