
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা মঙ্গলবার পুনরায় শুরু হবে। অন্যদিকে তেহরান জানিয়েছে, তারা কোনও প্রতিনিধিদল পাঠানোর পরিকল্পনা করছে না এবং আলোচনার সম্ভাবনা নিয়েও হতাশ। ইসরায়েলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল এ খবর জানিয়েছে।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) ট্রাম্প ফক্স নিউজকে বলেন, হোয়াইট হাউসের দূত জ্যারেড কুশনার এবং স্টিভ উইটকফ আলোচনার জন্য পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যাচ্ছেন। তবে তেহরান কোনও চুক্তিতে রাজি না হলে পুরো ইরানকে ‘উড়িয়ে দেওয়া’ হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
ট্রাম্প আরও বলেন, ইরানকে অবশ্যই হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে হবে এবং উচ্চমাত্রা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ত্যাগ করতে হবে, যা তেহরান এখনো মেনে নেয়নি।
ট্রাম্প জানান, চুক্তি না হলে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সেতু ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো লক্ষ্যবস্তু করা হবে। এর মাধ্যমে তিনি আবারও বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলার হুমকি দিলেন, যা প্রায় দুই সপ্তাহ আগে যুদ্ধবিরতি শুরুর পর স্থগিত করা হয়েছিল। যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে কোনো সমঝোতা না হলে বুধবার এই বিরতির মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে।
ট্রাম্পের এই দাবির বিপরীতে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি রোববার রাতে জানিয়েছে, আগামী দফার আলোচনায় অংশ নেওয়ার কোনও পরিকল্পনা বর্তমানে তাদের নেই।
ইরানি সংবাদ সংস্থা ইরনা ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে ‘অযৌক্তিক ও অবাস্তব দাবি’ এবং ‘বারবার অবস্থান পরিবর্তনের’ অভিযোগ তুলেছে। তেহরানের মতে, মার্কিন নৌ-অবরোধ বহাল থাকায় আলোচনার পরিবেশ বর্তমানে ইতিবাচক নয়। দেশটির সংবাদ সংস্থা ফারস ও তাসনিম জানিয়েছে, বন্দরের ওপর থেকে মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত আলোচনায় অংশ নেওয়ার বিষয়ে তারা এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি।