২০০৪ সালের ছয়ই জানুয়ারি পাকিস্তানের ইসলামাবাদে ১২তম দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) শীর্ষ সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী (ডানে), পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জাফরুল্লাহ জামালির (বামে) সাথে বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।
২০০৫ সালের ১২ই নভেম্বর ঢাকায় ১৩তম দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা - সার্ক'র শীর্ষ সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে আগের বছরের সুনামি এবং সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শওকত আজিজ, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং।
২০০৬ সালের ১২ই ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডির চাকলালা বিমানঘাঁটিতে পৌঁছানোর পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে স্বাগত জানান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শওকত আজিজ এবং তার স্ত্রী রুখসানা আজিজ।
২০০৬ সালের ৭ই মে দুই দিনের সরকারি সফরে কুয়েত সিটিতে পৌঁছান বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। তাকে স্বাগত জানান কুয়েতের প্রধানমন্ত্রী শেখ নাসের আল-মোহাম্মদ আল-আহমদ আল-সাবাহ।
২০০৬ সালের ২১শে মার্চ ভারতের নয়াদিল্লিতে গান্ধীর বাসভবনে কংগ্রেস পার্টির সভাপতি সোনিয়া গান্ধীর সাথে করমর্দন করেন খালেদা জিয়া।
২০০২ সালের ১২ই জানুয়ারি ঢাকায় চীন-বাংলাদেশ মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চীনের প্রধানমন্ত্রী ঝু রংজির সাথে কথা বলেন খালেদা জিয়া। আনুষ্ঠানিকভাবে তারা সম্মেলন কেন্দ্রটি উদ্বোধন করেন।
২০০২ সালের ১৮ই ডিসেম্বর ঢাকার তৎকালীন জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিদায়ের সময় মিয়ানমারের জান্তা নেতা সিনিয়র জেনারেল থান শোয়ে (বামে) এবং তার স্ত্রী দাউ কিয়াইং কিয়াইং-র (ডানে) সাথে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া গণমাধ্যমের উদ্দেশ্যে হাত নাড়েন।
দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর সাথে বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০০৩ সালের ১৮ই জুন ঢাকায় আসেন ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি মেগাওয়াতি সুকর্ণপুত্রী। বিমানবন্দরে তাকে অভ্যর্থনা জানান খালেদা জিয়া।