
চলমান ইরান যুদ্ধের কারণে অ্যামেরিকায় মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়া নিয়ে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের একটি বক্তব্য নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, সরকারি তথ্য অনুযায়ী গত মে মাসে অ্যামেরিকার মূল্যস্ফীতি ৪ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে, যা গত ৩ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি।
মূল্যস্ফীতির দ্রুত বৃদ্ধি ও নভেম্বর মাসে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে এর প্রভাব সম্পর্কে বুধবার প্রেসিডেন্টকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি মূল্যস্ফীতি ভালোবাসি।’
হরমুজ প্রণালীতে বিঘ্নের কারণে সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি, সার এবং বিভিন্ন পণ্যের দাম বেড়েছে বলে অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা। তারা সতর্ক করে বলেছেন, সরবরাহ ব্যবস্থার সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে বৈশ্বিক বাজারে আরও মূল্যচাপ তৈরি হতে পারে।
মূল্যস্ফীতি কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালানো ট্রাম্পের জন্য এই ইস্যুটি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। কারণ জীবনযাত্রার ব্যয় এখনো অ্যামেরিকান ভোটারদের অন্যতম প্রধান উদ্বেগের বিষয়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মূল্যস্ফীতি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম মধ্যবর্তী ভোটারদের সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তবে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরান যুদ্ধ শেষ হলে দ্রুত তেলের দাম কমে আসবে এবং মূল্যস্ফীতি হ্রাস পাবে।
তিনি বলেছেন, ‘যখন এটি শেষ হবে, তখন তেলের দাম আগের অবস্থায় ফিরে যাবে। এটি পাথরের মতো নিচে নেমে আসবে।’
এর আগে গত মাসে ট্রাম্প বলেছিলেন যে ইরানের সঙ্গে চুক্তি করার প্রচেষ্টার সময় আমেরিকানদের আর্থিক কষ্ট তার বিবেচনায় নেই,। তিনি বলেছিলেন,’আমি আমেরিকানদের আর্থিক অবস্থা নিয়ে ভাবি না। আমি কারও ব্যাপারেই ভাবি না।
‘আমি শুধু একটি বিষয় নিয়ে ভাবি,আমরা ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দিতে পারি না।’