
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভোটারদের ভোট দেওয়ার আগে নাগরিকত্ব প্রমাণ দেখাতে বাধ্য করা নিয়ে জারি করা নির্বাহী আদেশ স্থায়ীভাবে স্থগিত করেছেন মার্কিন ফেডারেল বিচারক। শুক্রবার বিচারক কলিন কলার-কোটেলি এই স্থগিতাদেশ দেন। আদালত পূর্বে সাময়িকভাবে এটি কার্যকর হতে বাধা দিয়েছিল। এবার রায়ে স্থায়ীভাবে বলা হয়েছে, ভোটার নিবন্ধনের জন্য পাসপোর্ট বা অনুরূপ নথি বাধ্যতামূলক নয়।
জানা গেছে, গত ২৫ মার্চ জারি হওয়া এই আদেশটি ফেডারেল নির্বাচনের পুনর্গঠনের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছিল। আগেই আদালত সাময়িকভাবে এটি কার্যকর হতে বাধা দিয়েছিল। স্থায়ী রায়ে বলা হয়েছে, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনের নিয়ন্ত্রণ রাজ্যগুলোর অধীনে, প্রেসিডেন্টের নয়। তাই নাগরিকত্ব প্রমাণ বাধ্যতামূলক করা অবৈধ।
রায়টি এসেছে ডেমোক্র্যাটিক ন্যাশনাল কমিটি, লীগ অফ ইউনাইটেড ল্যাটিন আমেরিকান সিটিজেনস এবং লীগ অফ উইমেন ভোটারস এডুকেশন ফান্ডসহ বিভিন্ন গোষ্ঠীর মামলা বিবেচনার পর।
আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন জানিয়েছে, নাগরিকদের ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য নতুন নথি কেনার প্রয়োজন হবে না। সোফিয়া লিন ল্যাকিন বলেছেন, আমরা এই জয়ে আনন্দিত, তবে সতর্ক থাকব এবং নিশ্চিত করব যে প্রতিটি যোগ্য ভোটার বাধা বা ভীতি ছাড়া ভোট দিতে পারবে। কোনো প্রেসিডেন্ট সংবিধান এড়িয়ে ভোট দেওয়া কঠিন করতে পারবে না।
প্রসঙ্গত, ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনী ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে আসছেন এবং ২০২০ সালের নির্বাচনে জালিয়াতির ভিত্তিহীন অভিযোগ প্রচার করেছেন। তার ও রিপাবলিকান সহযোগীদের এই ধরনের দাবি ভিত্তিহীন এবং বাস্তবে খুবই সীমিত পরিমাণে ঘটে।