
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, ১২ ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু হলেও ফলাফল তৈরি ও ঘোষণায় মহাইঞ্জিনিয়ারিং হয়েছে। সাবেক উপদেষ্টার কথায় তা প্রমাণ হয়েছে। তিনি বলেন, অতীতের নির্বাচনের চেয়ে এবারের ধরনটাই ছিল আলাদা। ভোটারদের বোকা বানিয়ে দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা ঠিকই ইঞ্জিনিয়ারিং করা হয়েছে। তা না হলে রাত ১০-১১টা পর্যন্ত সারা দেশ থেকে ১১ দলের বিজয়ী হওয়ার খবরে ভোট গণনা বন্ধ রাখা হতো না।
শুক্রবার (৬ মার্চ) জুমার নামাজের পর বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর অভিযোগে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও ড. খলিলুর রহমানের গ্রেফতারে দাবিতে বিক্ষোভ মহানগর জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিলের আগে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পরওয়ার বলেন, মানুষ যখন জামায়াতের বিজয়ের খবর শোনার জন্য উন্মুখ ছিল তখনই মধ্যরাতে রহস্যজনকভাবে ফলাফল পরিবর্তন করে দেওয়া হলো। এটা বড় ইঞ্জিনিয়ারিং। তিনি অবিলম্বে দুই সাবেক উপদেষ্টাকে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জানান।
সমাবেশের পর একটি বিক্ষোভ মিছিল বায়তুল মোকাররম উত্তর গেট থেকে শুরু হয়ে পল্টন ও কাকরাইল হয়ে নাইটিঙ্গেল মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।
মিছিলে সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে নানা স্লোগান দেন নেতাকর্মীরা।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের নায়েবে আমির ড. হেলাল উদ্দিন আহমেদ, ঢাকা-৪ আসনের এমপি সৈয়দ জয়নুল আবেদীন, ঢাকা-৫ আসনের এমপি কামাল হোসেন, মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি দেলোয়ার হোসেন, উত্তরের সেক্রেটারি ইয়াছিন আরাফাত প্রমুখ।