
যুক্তরাষ্ট্রের সাউদার্ন ইলিনয় ইউনিভার্সিটি থেকে ম্যাস কমিউনিকেশন অ্যান্ড মিডিয়া আর্টস বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন বাংলাদেশি সাংবাদিক কাজী মেহেদী হাসান।
গত ৯ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫০তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ড. অস্টিন লেন তার হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সনদপত্র তুলে দেন।
গবেষণার বিষয়বস্তু
ড. কাজী মেহেদী হাসান তার গবেষণায় ২০১২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের পরিবর্তনশীল মিডিয়া পরিবেশ কীভাবে রাজনৈতিক মেরুকরণে ভূমিকা রাখছে তা বিশ্লেষণ করেন। তার গবেষণাপত্রের শিরোনাম ছিল— ‘পার্সোনালাইজড পলিটিক্স ইন দ্য ডিজিটাল এইজ: হাউ মিডিয়া এক্সপোজার অ্যান্ড সোশ্যাল মিডিয়া মাইক্রোটার্গেটিং ইমপ্যাক্ট পাবলিক এজেন্ডা ডাইভারসিটি অ্যান্ড ওয়াইডেন পার্টিজান পোলারাইজেশন ইন দ্য ইউএস প্রেসিডেনশিয়াল ইলেকশন (২০১২–২৪)’
বাংলা শিরোনাম অনুযায়ী, গবেষণাটি ছিল ডিজিটাল যুগে ব্যক্তিকৃত রাজনীতি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাইক্রোটার্গেটিং এবং মিডিয়া এক্সপোজারের প্রভাব নিয়ে, যা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনগুলোতে জন এজেন্ডার বৈচিত্র্য ও রাজনৈতিক মেরুকরণ বৃদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কিত।
এই গবেষণাটি অধ্যাপক ড. কাভিটা কারানের তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হয়। থিসিস কমিটির সদস্যদের মধ্যে ছিলেন ড. লিসা ব্রুটেন, ড. প্যাট্রিক মেয়রিক, ড. ওয়াল্টার মেটজ, ড. ডং হান এবং ড. ইয়োশুয়া রিউ।
এর আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব মিসিসিপি থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। বাংলাদেশে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতায় এমএসএস ও বিএসএস সম্পন্ন করেন।
দেশে অবস্থানকালে তিনি ‘সুজন মেহেদী’ নামে পরিচিত ছিলেন এবং ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশন, চ্যানেল ওয়ান ও এনটিভিসহ বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেলে সাংবাদিকতা করেছেন।