
নিউইয়র্কে বসবাসরত এক প্রবাসী বাংলাদেশি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিককে (বয়স ৪৫) ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইস) কর্মকর্তারা ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের মুখে ফেলেছেন। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) আইসের সমন পাওয়ার পর তিনি ম্যানহাটনের আইস অফিসে হাজির হন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী জানান, ওই ব্যক্তি ছোটবেলায় বাবা-মায়ের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন, এখানেই পড়াশোনা করেছেন এবং সাবলীলভাবে ইংরেজি বলতে পারেন। জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে আটক করা হয়নি; তিনি স্বাভাবিকভাবেই বাড়িতে ফিরে যান।
অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরীর ভাষ্য অনুযায়ী, আইস অফিসে প্রথমেই ওই ব্যক্তির কাছে জানতে চাওয়া হয়—কীভাবে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পেয়েছেন। এরপর তার পরিবারের নামে নেওয়া কিছু সরকারি সুবিধা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়।
আইস কর্মকর্তারা অভিযোগ করেন, তার পরিবারের পক্ষ থেকে হোমকেয়ার সেবা, স্ন্যাপ (ফুড স্ট্যাম্প) এবং ক্যাশ অ্যাসিস্ট্যান্ট বেনিফিট গ্রহণ করা হয়েছে। জবাবে তিনি অসুস্থ বাবা-মায়ের জন্য হোমকেয়ার ও স্ন্যাপ সুবিধা নেওয়ার কথা স্বীকার করেন, তবে ক্যাশ অ্যাসিস্ট্যান্ট কখনো নেননি বলে জানান।
তিনি আরও জানান, হোমকেয়ার সেবার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান পরিবারের সব তথ্য সংগ্রহ করেছিল এবং তারাই প্রক্রিয়াটি পরিচালনা করেছে। কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে তা খতিয়ে দেখতে আইসকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।
অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী বলেন, আগে একজন মার্কিন নাগরিককে আইস থেকে সমন দেওয়া প্রায় কল্পনাতীত ছিল। কিন্তু বর্তমানে এমন ঘটনা বাড়ছে। তাই তিনি সবাইকে সতর্ক করে বলেন, আইস থেকে কোনো সমন পেলে সরাসরি হাজির না হয়ে আগে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ অ্যাটর্নির সঙ্গে পরামর্শ করা জরুরি।